নির্বাচিত ফেসবুক স্ট্যাটাস

” সাইয়েদ কুতুবের “আকিদা, মানহাজ এবং তার সম্পর্কে যুগ শ্রেষ্ঠ ওলামাদের মতামত

সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ,
আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি ইখোয়ানুল মুসলিমিন (মুসলিম ব্রাদারহুড), জামাতে ইসলামী, বা এমন অন্যান্য চরমপন্থী দলগুলোর আদর্শ গুরুদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় একজন ব্যক্তিত্ব ” সাইয়েদ কুতুবের “আকিদা, মানহাজ এবং তার সম্পর্কে যুগ শ্রেষ্ঠ ওলামাদের মতামত সম্বলিত প্রবন্ধ নিয়ে!

দ্বীন কায়েম, খিলাফত প্রতিষ্ঠা, ইসলামিক রাষ্ট্র গঠনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কথিত ‘ইসলামিক আন্দোলন’ এর মতাদর্শ প্রচারকারী এবং খাওয়ারিজদের ধর্মীয় গুরু হিসেবে পরিচিত “সাইয়েদ কুতুবের” নাম টা শুনে নি এমন মানুষ কম ই পাওয়া যাবে! কেউ কেউ তাকে “শহিদ কুতুব ” বলেও অভিহিত করেন!
যাহোক, “কে এই কুতুব “সেই সম্পর্কে আমরা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করব (ওয়া’মা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ)

® কুতুবের জন্ম ও শৈশবঃ—
সাইয়েদ কুতুব ১৯০৬ সালে মিসরের উসইউত জেলার মুশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন! সাইয়েদ কুতুবের মূল নাম হলো সাইয়েদ” এবং “কুতুব” হল তার বংশীয় উপাধি!যতটুকু জানা যায় তার পূর্বপুরুষরা আরব উপদ্বীপ থেকে এসে মিসরের উত্তরাঞ্চলে বসবাস শুরু করেন।পিতার হাজী ইবরাহীম কুতুব ছিলেন একজন কৃষক! দুই ভাই এবং তিন বোনের মধ্যে “সাইয়েদ কুতুব “ই ছিলেন সবার বড়”! অন্য ভাই হলেন মুহাম্মাদ কুতুব আর বোনেরা হলেন হামিদা কুতুব এবং আমিনা কুতুব আরেকজনের নাম জানা যায়নি!

®শিক্ষা ও কর্মজীবন:
প্রথমেই গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাইয়েদ কুতুবের শিক্ষাজীবন শুরু হয়।তারপর কায়রোর বিখ্যাত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৩ সালে সেখান থেকে বি.এ ডিগ্রি লাভ করেন এবং সেখানেই অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
কিছুকাল অধ্যাপনা করার পর তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্কুল ইন্সপেক্টর নিযুক্ত হন। মিসরে এই পদটিকে অত্যন্ত সম্মানজনক বিবেচনা করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেই তাকে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
দু’বছরের কোর্স শেষ করে আমেরিকা থেকে দেশে ফেরার পর পরই ইখওয়ানুল মুসলিমিন দলের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে ফেলেন এবং ১৯৪৫ সালে তিনি ওই দলের সদস্য হয়ে যান। তারপরেই একে একে ভিবিন্ন কিতাবাদি রচনা শুরু করেন!

®সাইয়েদ কুতুবের আকিদাঃ–

“মাওলানা মওদূদীর লেখনীর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে সাইয়েদ কুতুব একই ভাবধারায় তার লেখনী পরিচালনা করেছেন। সাথে সাথে তার অনুসারী দল ‘ইখওয়ানুল মুসলেমীন’ কেও সেইভাবেই পরিচালিত করেছেন। তিনিও খারেজীদের ন্যায় মুসলিম উম্মাহকে হয় কাফের নয় মুমিন, এভাবে দুই ভাগ করে বলেছেন, “লোকেরা আসলে মুসলমান নয়, যেমনটা তারা দাবী করে থাকে। তারা জাহেলিয়াতের জীবন যাপন করছে। তারা ধারণা করে যে, ইসলাম এই জাহেলিয়াতকে নিয়ে চলতে পারে। কিন্তু তাদের এই ধোঁকা খাওয়া ও অন্যকে ধোঁকা দেওয়ায় প্রকৃত অবস্থার কোনই পরিবর্তন হবেনা। না এটি ইসলাম এবং না তারা মুসলমান।” মাআ’লিম ফিত-তারীক্ব পৃঃ ১৫৮।

সাইয়েদ কুতুব আরো বলেছিলেন, “কালচক্রে দ্বীন এখন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহতে এসে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে ও পশ্চিমের মানুষ সর্বত্র মসজিদের মিনার সমূহে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর ধ্বনি বারবার উচ্চারণ করে কোনরূপ বুঝ ও বাস্তবতা ছাড়াই। এরাই হলো সবচেয়ে বড় পাপী ও কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তির অধিকারী। কেননা তাদের কাছে হেদায়াত স্পষ্ট হওয়ার পরেও এবং তারা আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে থাকার পরেও তারা মানুষ পুঁজার দিকে ফিরে গেছে।” সাইয়িদ কুতুবের লেখা তাফসীর ফী যিলালিল কুরআ’ন, সুরা আনআ’মঃ আয়াত ১৯ এর ব্যাখ্যা, ২/১০৫৭ পৃঃ।

সাইয়েদ কুতুব আরো বলেন, “বর্তমান বিশ্বে কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই বা কোন মুসলিম সমাজ নেই।” ফী যিলালিল কুরআ’ন, সুরা হিজরের ভূমিকা, ৪/২১২২ পৃঃ।

তিনি আরও বলেন “বর্তমান যুগে মুসলমানদের দ্বারা পরিচালিত মসজিদগুলিকে কুতুব “জাহেলিয়াতের ইবাদতখানা” বলে আখ্যায়িত করেছেন (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক!”)। ফী যিলালিল কুরআ’ন, ইউনুস, ৮৭ আয়াতের ব্যাখ্যা ৩/১৮১৬।

সাইয়েদ কুতুব মাওলানা মওদূদীর ন্যায় ‘আল্লাহর ইবাদত’ ও ‘সরকারের আনুগত্যকে’ সমান মনে করেছেন এবং অন-ইসলামিক সরকারের আনুগত্য করাকে ‘ঈমানহীনতা’ গণ্য করেছেন। ফী যিলালিল কুরআ’ন, সুরা নিসা ৬০ আয়াতের ব্যাখ্যা, ২/ ৬৯৩ পৃঃ।

একটি মাত্র বিষয়েও অন্যের অনুসরণ করলে সে ব্যক্তি আল্লাহর দ্বীন থেকে বেরিয়ে (কাফের হয়ে) যাবে বলে তিনি ধারণা করেছেন। ফী যিলালিল কুরআ’ন, ২/৯৭২ পৃঃ।

তিনি বলেন, ইসলামে জিহাদের উদ্দেশ্য হলো, ইসলাম বিরোধী শাসনের বুনিয়াদ ধ্বংস করে দেয়া এবং সে স্থলে ইসলামের ভিত্তিতে রাষ্ট্র কায়েম করা। ফী যিলালিল কুরআ’ন, ৩/১৪৫১ পৃঃ।

এভাবে আলেমগণ সাইয়েদ কুতুবের অন্যান্য বই ছাড়াও কেবলমাত্র তাফসীর ‘ফী যিলালিল কুরআন’ এ আক্বীদাগত ও অন্যান্য বিষয়ে ১৮১ ভুল চিহ্নিত করেছেন। মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন, ফিৎনাতুত তাকফীর ওয়াল হাকেমিয়াহ, পৃঃ ৯৮।

® ইখুয়ানী সাইয়েদ কুতুব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্কঃ-

শিয়া রাষ্ট্র “ইরান” সাইয়েদ কুতুবকে একজন মহান ব্যক্তি আলিঙ্গন করে। তার কিতাবসমুহ তরজমা করে, তার কিতাবকে ইরানের স্কুল কলেজের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করে। সাইয়েদ কুতুবের অনুসারীরা ইসলামি সমাজের উপর দাম্ভিকতা, গর্ববোধ প্রকাশের দীক্ষায় দীক্ষিত হয়। কেননা ইসলামি সমাজের সকলে সাইয়েদ কুতুবের কাছে কাফের!!
সাইয়েদ কুতুবের মতে ইয়াহুদি, নাসারা, হিন্দু বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের সকলে পূর্ণ স্বাধীন! তারা স্বাধীনভাবে তাদের আকীদা বিশ্বাসের দাওয়াত দিবে এবং মুসলমানরা অবশ্যই তাদের আকীদা বিশ্বাসের প্রচার প্রসার ও রক্ষনাবেক্ষনে কাজ করা। কেননা ধর্মীয় অনুভুতি রক্ষার জন্যই তাদের আবির্ভাব হয়েছে। (নাউজুবিল্লাহ)!
-সাইয়েদ কুতুবের যেকোন কেতাব পাঠ করলেই সহজে বুঝা যাবে যে তা কতইনা ইমান আকীদা ধংসের শিক্ষায় পরিপূর্ণ! অথচ তারা ও তাদের অনুসারীরা কুতুবের কিতাব সমুহকে পবিত্র কিতাব মনে করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশ ও বিতরনের ব্যবস্থা করে!
ইরানী রাফেজীরা সাইয়েদ কুতুবকে খমিনীর মতই ভক্তি করে। খমিনী যেমন তেমনি সাইয়েদ কুতুবও তাদের মধ্যমণি!
الذريعة إلى بيان مقاصد كتاب الشريعه .م١.ص١٦٤-١٦٥.

®সাইয়েদ কুতুব সম্পর্কে যুগশ্রেষ্ঠ ওলামাদের অভিমতঃ—

১.আল্লামাহ আব্দুল আ’জিজ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহ আজ থেকে ৪০ বছর পূর্বে বলেছেন, “সাইয়েদ কুতুবের সকল কিতাব ধ্বংস করা জরুরী।”
লিংক– https://www.youtube.com/watch?v=JNKG9AiDnFU
– https://www.youtube.com/watch?v=JZHD4XqxtRo
.
২.আল্লামাহ নাসির উদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “সাইয়েদ কুতুবের দ্বারা অনেকে ইসলামের দিকে উৎসাহিত হয়েছে, কিন্তু সে কোন আলেম ছিলোনা। সে মানুষকে ইসলামের দিকে আহবান করতো; কিন্তু কুরআন, সুন্নাহ ও সালফে সালেহীনদে আদর্শ সম্পর্কে তার জ্ঞান ছিলোনা। তাকে রদ্দ করা ‘ওয়াজিব’, তবে সেটা নম্রভাবে করতে হবে।”
লিংক-https://www.youtube.com/watch?v=aRHt4hE7zDY

৩. আল্লামাহ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসায়মিন রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “যদি আল্লাহর ভয় না থাকতো, তাহলে আমরা সাইয়েদ কুতুবকে তাকফীর করতাম।”
লিংক-https://www.youtube.com/watch?v=1TyYqRPLrC8

সাইয়েদ কুতুব বলেছিলো, “মুয়াবিয়া এবং তাঁর দুষ্কর্মের সাথী আ’মর ইবনে আস মিথ্যা, প্রতারণা, মুনাফেকী, ঘুষের দিকে ঝুঁকে পড়েছিল। কিন্তু আলী তাদের মতো এতো নীচে নামতে পারেন নি বলে তিনি তাদের সাথে জয়ী হতে পারেন নি।”

৪. শায়খ আব্দুল আ’জিজ বিন আব্দুল্লাহ আলে-শায়খ হা’ফিজাহুল্লাহকে সাইয়েদ কুতুবের এই কথার ব্যপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছিলেন, “এটা কোন নিকৃষ্ট বাতিনি (শিয়া) অথবা কোন অভিশপ্ত ইয়াহুদীর কথা, কোন মুসলিম এমন কথা বলতে পারেনা।”
লিংক- https://www.youtube.com/watch?v=JZHD4XqxtRo
.
৫.শায়খ সালেহ আল-ফাউজান হা’ফিজাহুল্লাহ
শায়খ সালেহ আল-ফাউজান হা’ফিজাহুল্লাহ বলেছেন, “সাইয়েদ কুতুব একজন জাহেল, তার জ্ঞান নেই, সে যা বলে তার কোন দলিল নেই। পূর্ব থেকে এখন পর্যন্ত আলেমরা সাইয়েদ কুতুবকে রদ্দ করে আসছেন।
লিংক- https://www.youtube.com/watch?v=GwZpQVhzhYM

শায়খ সালেহ আল-ফাউজান হা’ফিজাহুল্লাহ আরো বলেছেন, “সাইয়েদ কুতুব একজন জাহেল, একারণে (তার এমন কিছু যা কুফুরী, সেইগুলোর কারণে) তাকে তাকফির করা হবেনা।”
লিংক- – https://www.youtube.com/watch?v=JGD0rOeWY7I

শায়খ ফাউজানকে সাইয়েদ কুতুবকে রদ্দ করে লেখা শায়খ রাবী বিন হাদী আল-মাদখালীর বই “আদওয়া ইসলামিয়া আলা আকিদাত সাইয়েদ কুতুব ওয়াল ফিকরিহ” সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছিলেন, “এই বইটা লেখা (দাওয়াতের জন্যে) খুব ভালো একটা কাজ এবং এর লেখক একজন মুহসিন।”
লিংক – https://www.youtube.com/watch?v=qIQvcnAoAH4
.
৬. শায়খ রাবী বিন হাদী আল-মাদখালী হা’ফিজাহুল্লাহ বলেছেন, “আমরা আল্লাহকে ভয় করি এবং সাইয়েদ কুতুবকে তাকফীর করিনা, যদিও তার বইয়ে কিছু কঠোর কুফুরী কথা রয়েছে। যে ব্যক্তি সাইয়েদ কুতুবের বই প্রকাশ করে, সেগুলোকে সমর্থন ও প্রচার করার নীতি অবলম্বন করে, আমরা তার সমালোচনা করি। সে অনেক বড় গোমরাহীকে রক্ষা করছে।”
লিংক-https://www.youtube.com/watch?v=lle7wwCJ1LE
.
৭.শায়খ উবায়েদ আল-জাবেরী হা’ফিজাহুল্লাহ বলেছেন, “সাইয়েদ কুতুব হচ্ছে কুতুবীদের ইমাম, আর কুতুবীরা হচ্ছে ইখোয়ানুল মুসলিমিনের একটা শাখা। সাইয়েদ কুতুবের লেখা কিতাব ‘ফী যিলালিল কুরআন’ আসলে হচ্ছে ‘ফী যিলালিল শায়তান’, কুরআনের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। বর্তমান যুগে (মুসলমান) সমাজ যে আত্মঘাতী বোমা হামলা, গুপ্ত হত্যা ও তাকফীরের মতো বিপর্যয়ের মোকাবেলা করছে, এর উৎস হচ্ছে সাইয়েদ কুতুব।”
লিংক- https://www.youtube.com/watch?v=1TyYqRPLrC8
.
৮.শায়খ রামযান আল-হাজিরী হা’ফিজাহুল্লাহ বলেছেন, “খারেজীদের কথা বললে মানুষ মনে করে যেন অতীর যুগের ইতিহাস শুনছে। আসলে এখন তা ইতিহাস নয়, বরং খারেজী ফেতনাহ বাস্তব। এই খারেজী আকীদাকে জিন্দা করেছে এ যুগের ইখোয়ানুল মুসলিমীন (মুসলিম ব্রাদারহুড)। যাদের শিরোমনি ছিল হাসান আল-বান্না ও সাইয়েদ কুতুব। আর বর্তমান যাদের মূল হোতা হচ্ছে ইউসুফ আল-কারজাবী।”
লিংক- – https://www.youtube.com/watch?v=Tt12fN92G5c

শায়খ রামযান আল-হাজিরী হা’ফিজাহুল্লাহ আরো বলেছেন, “সাইয়েদ কুতুব বলেছেঃ বর্তমান যুগে কোন ইসলাম নেই, ইসলামের পতাকাবাহী কোন দল বা ব্যানার নেই এবং কোন ইসলামী ব্যবস্থা নেই। সাইয়েদ কুতুব হচ্ছে বর্তমান যুগের তাকফিরীদের ‘শায়খ’ (ধর্মগুরু বা আদর্শ নেতা), বরং সে তাদের জন্যে দলিল বা উৎস। তুমি কি জানো, সাইয়েদ কুতুব উসমান রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর খিলাফত সম্পর্কে কি মন্তব্য করেছে? সে বলেছেঃ উসমান রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর খিলাফত ইসলামী ইতিহাসে একটা শূণ্যস্থান (অর্থাৎ তা মোটেও ইসলামিক নয়)। আশ্চর্যের বিষয় হচ্চে, রাফেজীরা সাইয়েদ কুতুবের প্রশংসা করে এবং তার নামে ইরানে একটা রাস্তা নির্মান করেছে। এমনকি তাকে ইসলামী ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মর্যাদা দিয়ে তার ছবিসহ পোস্টাল স্ট্যাম্প প্রকাশ করেছে। আমি শুনেছি খোমাইনির পুত্র সাইয়েদ কুতুবের প্রশংসা করে। এমনকি আমি এটাও শুনেছি যে, ওমানের খারেজীদের বড় একজন নেতা ও মুফতি যার নাম হচ্ছে আল-খালিলি, সে সাইয়েদ কুতুবের প্রশংসা করেছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, রাফেজী এবং খারেজীরা সাইয়েদ কুতুবকে ভালোবাসে। কিন্তু আমরা আল্লাহর জন্যে সাইয়েদ কুতুবকে ঘৃণা করি। সাইয়েদ কুতুব নবী ও রাসূলদের সম্পর্কে কটু মন্তব্য করেছে (নাউযুবিল্লাহ)! আর এটাই হচ্ছে ইখোয়ানুল মুসলিমিনের মাদ্রাসা।”
লিংক- https://www.youtube.com/watch?v=ym0v20Yeot8&feature=youtu.be

আশা করি আমাদের এই দীর্ঘ আলোচনায় “সাইয়েদ কুতুব” সম্পর্কে পাঠকদের সকল ধোয়াশা দুরীভুত হয়ে যাবে!
আল্লাহতালা মুসলিম উম্মাহ কে খাওয়ারিজদের ফিতনা থেকে হেফাজত করুণ এবং ওলামায়ে হক্বের ইত্তেবাহ করার তাওফিক দিন— আমিন।


 

এ সম্পর্কিত অন্যান্য পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close