preloder
নির্বাচিত ফেসবুক স্ট্যাটাস

নুহাশ পল্লীতে একদিন

(১) নাগরিক জীবনের ব্যস্ততাকে ফাঁকি দিয়ে একান্ত একটুকরো অবসরে যাওয়া দেহ আর মনের জন্যে খুব দরকারি হয়ে উঠেছিলো। একটু নির্ঝঞ্ঝাট পরিবেশ, নির্মল হাওয়া আর সবুজ প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করছিলো খুব করে৷ ইট আর কাঠের শহরে যন্ত্রমানবে পরিণত হতে যাওয়া শরীরটাকে ফুসরত দিতেই হঠাৎ আয়োজন৷ ঠিক করা হলো এবারের গন্তব্য গাজীপুর সাফারী পার্ক হয়ে হুমায়ুন আহমেদের স্মৃতি বিজড়িত নুহাশ পল্লী৷

সকাল থেকে বিকেল- পুরোটা সময় কেটে গেলো সাফারী পার্কের হাতি, ঘোড়া, বাঘ-সিংহ, ময়ূর, কুমির, মাছ, প্রজাপতি আর ধনেশ পাখির সাথে৷ যখন পার্ক ত্যাগ করি, তখন মসজিদের মাইকে আসরের আযান ধ্বনিত হচ্ছে। সি এন জিতে চেপে চলে এলাম নুহাশ পল্লীতে। নুহাশ পল্লীর গেইটের কোণায় স্থাপিত ছোট্ট মসজিদটাতে আসরের জামাতে দাঁড়ালাম। সর্বপ্রথম দেখতে গেলাম হুমায়ুন আহমেদের কবর।

শ্বেত পাথরে আচ্ছাদিত কবরটাতে শুয়ে আছেন বাংলা সাহিত্যের একজন কিংবদন্তী। নুহাশ পল্লীর লিচু তলাতেই তাঁকে কবর দেওয়া হয়েছে৷ তিনটে বিশাল আকৃতির লিচু গাছ তাঁর কবরটাকে ছায়া দিয়ে ঢেকে রেখেছে।
এই লিচুতলা ছিলো হুমায়ুন আহমেদের প্রিয় জায়গাগুলোর একটি৷ তাঁর কিছু কিছু রচনায় সেটার উল্লেখ পাওয়া যায়।
আমি তার কবরের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলাম কিছুক্ষণ৷ একটা মানুষ। যশ-খ্যাতি ছিলো, নাম-ডাক ছিলো। বাংলা সাহিত্যে তার সমান জনপ্রিয়তা খুব কম মানুষ পেয়েছে৷ বইমেলায় তার বই কেনার জন্যে মানুষ সুদীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতো। একটা মানুষের একজীবনে যা যা পাওয়ার থাকে, সম্ভবত তার সবটাই হুমায়ুন আহমেদ পেয়েছিলেন৷
অথচ, জীবনের কি নির্মম বাস্তবতা৷ তার নিজ হাতে গড়া নুহাশ পল্লী, তার যশ-খ্যাতি, তার কীর্তি সবকিছু রেখে তাঁকে চলে যেতো হলো মাটিতে। মাটির সাথে মানুষের সে কি এক গভীর মিতালী!
আজও নুহাশ পল্লীতে জোসনা নামে৷ আজও নুহাশ পল্লীর ঘাস শিশিরে ভিজে উঠে। আজও ‘বৃষ্টি বিলাস’ থেকে শোনা যায় বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ৷ কিন্তু, এই জোসনা, এই শিশির, শান বাঁধানো পুকুর ঘাট, বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ- সবকিছু থাকলেও হুমায়ুন নেই৷ জগতের সকল খ্যাত-অখ্যাতদের জন্যে এটাই ধ্রুব সত্য যে, পৃথিবীতে আগমন আর বিদায়ের পদ্ধতি সবার জন্যে একইরকম।

হুমায়ুন আহমেদের কবর দর্শন শেষে চলে এলাম তার বৃষ্টি বিলাসে৷ টিনের ছালা দেওয়া এই বাড়িটিতে বসে তিনি বৃষ্টি উপভোগ করতেন। ইট-পাথরের আবরণ ভেদ করে বৃষ্টির শব্দ ভিতরে ঢুকতে পারেনা৷ তাই এই ব্যবস্থা৷ জায়গায় জায়গায় চা-কফি পানের জন্যে তৈরি করা গোল টেবিল, দোল খাওয়ার দোলনা, বাহারি গাছ, গাছের মগডালে চৌ-ছালা গাছ ঘর দেখে বোঝাই যায় কতোটা শৌখিন ছিলেন হুমায়ুন আহমেদ৷ চারদিক ঘুরে যখন লীলাবতী দিঘীর পাড়ে আসি, তখন সূর্যটা ডুবে গেছে। শ্বেত পাথর দিয়ে বাঁধানো এই দিঘীর ঘাটের অযত্ন আর অবহেলার ছাপ থেকেই হুমায়ুন আহমেদের অনুপস্থিতি টের পাওয়া যায়৷ দিঘীর মাঝখানে দ্বীপের মতো একটা জায়গা৷ পাড় থেকে সাঁকো বেঁয়ে যেতে হয় ওখানে। আমরা সেখানে গেলাম। সেই কৃত্রিম ছোট্ট ঢিপিটার ঘাসে বসে পড়লাম আনমনে৷ সবাই চুপচাপ। চারদিকে এক গা ছমছমে নীরবতা। ভাব আর ভাবনার জন্যে এরকম নীরবতা খুব উপকারি বলে জানি।

দিঘীর অপর প্রান্তে আরো দুটি দোলনা। সম্ভবত বাচ্চাদের জন্যেই বানানো। ও’দিকে যাওয়ার জন্যে উঠে পড়লাম। তার আগে একনজর ঢুঁ মারলাম ‘ভূতের বাড়িতে’। ঢুঁ মারতেই ভূত দেখে আমরা সবাই খুব চমকে উঠলাম। উহু, ওটা আসলে ভূত ছিলোনা৷ একজন কেয়ারটেকার। অন্ধকার ঘরে ঘাপটি মেরে ছিলো। আমাদের দেখে সহাস্যেই বললো, ‘কি খুঁজছেন?’

-‘কিছুনা৷ আসলে, এটা নাকি ভূতের বাড়ি, তাই একটু কৌতূহল থেকে ঢুঁ মারলাম। আচ্ছা, এখানে কি আসলেই ভূত আছে?’

লোকটা বেশ তড়িৎ উত্তর দিলো। বললো, ‘নাহ। এটা আসলে আমাদের স্যারের কল্পনা ছিলো।’
– ‘ওহহ আচ্ছা’।
এই ভূতের বাড়িতে কাউকে থাকতে দেওয়া হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি জানালেন যে একবার নাকি পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নুহাশ পল্লীতে বেড়াতে এসে এই ভূতের বাড়িতেই রাত্রিযাপন করেছিলেন।

ভূতের বাড়ি ছেড়ে চলে এলাম লীলাবতী দিঘীর অন্যপাড়ে। আমাদের অনুসরণ করতে করতে সেই কেয়ারটেকারও চলে এলেন।
জিজ্ঞেস করলাম, ‘আচ্ছা, মানুষ হিশেবে হুমায়ুন আহমেদ কেমন ছিলেন?’

-‘খুবই ভালো লোক ছিলেন। স্যার যখন বেঁচে ছিলেন, তখন স্যারের জন্য যা রান্না হতো, আমাদেরকেও সেই রান্না খেতে দেওয়া হতো৷ স্যার বলতেন, আমি যা খাবো, তোমরাও তাই খাবে’।

কথায় কথায় লোকটা তাদের স্যারের আরো বেশকিছু স্মৃতি তুলে আনলেন৷ আমরা শুনলাম। ও’দিকে মাগরিবের আযান হয়ে যাচ্ছে। আমাদেরও ফিরতে হবে। আমাদের একজন জুতো খুলে খালি পায়ে হাঁটতে শুরু করলে কেয়ারটেকার লোকটা বললো, ‘আপনি খুব বুদ্ধিমান। খালি পায়ে হাঁটা ভালো। আমাদেরও স্যারও এখানে খালি পায়ে হাঁটতেন’।

খালি পায়ে হাঁটা সুন্নাহ। রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালি পায়ে হাঁটতেন৷ আচ্ছা, হুমায়ুন আহমেদ কি জানতেন এই তথ্য? আমি জানিনা।

খালি পায়ে হাঁটতে হাঁটতে আমরা মসজিদে চলে এলাম। নুহাশ পল্লীর গেইটের কোণার সেই ছোট্ট মসজিদটায় জামাত শুরু হয়ে গেছে৷ খুব করুণ গলায় বয়স্ক এক মুরব্বির তিলাওয়াতে সালাত হচ্ছে৷ প্রথম রাক’আত মিস করেছি। দ্বিতীয় রাকা’আতে মুরব্বি তিলাওয়াত করেছিলেন সূরা ফিল। আমার কেনো যেন খুব অদ্ভুত রকমের সুন্দর লাগলো সেই তিলাওয়াত।

সালাত শেষ হলে মুরব্বিকে বললাম, ‘কাকা, আপনার নাম কি?’
-‘মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান’।
-‘আপনি কি কখনো হুমায়ুন আহমেদকে দেখেছিলেন?’
-‘জি’
-‘আপনার পেছনে উনি কখনো সালাত পড়েছিলেন?’
-‘জি। পাঁচ ওয়াক্ত পড়তো না৷ মাঝে মাঝে পড়তো’।
-‘উনি আপনাকে আর কি কি বলতেন?’
-‘বলতেন উনি যদি মরেও যান আমি যেন এখানে এসে নামাজ পড়াই। যাদের মন চায় পড়বে, যাদের মন চায়না পড়বে না। তবে আমি যেন নিয়মিত নামাজ পড়িয়ে যাই এই কথা বলতেন’।
-‘উনি আপনাকে কি বলে ডাকতেন?’
-‘আমাকে মাওলানা বলে ডাকতেন। তবে আমি বলেছি আমাকে মাওলানা না ডাকতে৷ ঈমাম সাহেব বলে ডাকতে’।

ঈমাম সাহেবের সাথে কথা বলতে বলতে নুহাশ পল্লী থেকে বেরিয়ে এলাম। আমাদের জন্যে অপেক্ষায় থাকা সিএনজিতে চেপে রওনা দিলাম বাসার উদ্দেশ্যে। নুহাশ পল্লী এরিয়ার এক জায়গায় গাড়ি থামালাম। ও’দিকটায় বেশ শীত পড়ছে৷ শীতে কাঁপতে কাঁপতে আমাদের খুব করে গরুর দুধের চা খেতে মন চাইলো। একটা চায়ের দোকান দেখে গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়লাম সকলে।

দোকানে আরো দু’জন মুরব্বি ছিলেন। গ্রামের দোকানে সন্ধ্যায় এরকম মুরব্বিদের আড্ডা হয়। চা খেতে খেতে তাদের একজনের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কাকা, হুমায়ুন আহমেদকে তো চিনেন, তাইনা?’
উনি বললেন, ‘হ’।
-‘কেমন লোক ছিলেন?’
-‘বড় ভালা লোক আছিলেন’।
-‘আপনাদের সাথে মিশতেন?’
-‘হ। রমজান মাসে আমাদের সবাইরে ডেকে নিয়া গিয়া ইফতারি করাইতো। বাবা, যদি আমাগো দেশের দশজন ভালা মানুষ বাইছা লওন যায়, উনি তাগো একজন৷ খুউব ভালা লোক আছিলেন। অহংকার জিনিসটা তার মইধ্যে আছিলোনা একদম’।

মুরব্বি কাকা আরো বেশকিছু গল্প করলেন হুমায়ুন আহমেদের। চা খেতে খেতে তিনি আমাদের শোনাতে লাগলেন এই তল্লাটে হুমায়ুন আহমেদের একেবারে প্রথম জীবনের কাহিনী থেকে শেষ সময়টুকুর গল্পও।
এরপর, আমরা চূড়ান্তভাবে রওনা করলাম আগের ইট আর পাথরের শহর ঢাকায়। নগরজীবনের কোলাহলে আবারও মিশে গেলাম জীবন আর জীবিকার তাগিদে।

(২)

হুমায়ুন আহমেদের কবরের উপরে, শ্বেত পাথরে কিছু কথা লেখা ছিলো। কথাগুলো তাঁর ‘কাঠপেন্সিল’ বই থেকে নেওয়া৷ কথাগুলো এরকমঃ

‘কল্পনায় দেখেছি নুহাশ পল্লীর সবুজের মধ্যে ধবধবে শ্বেত পাথরের কবর। তার গায়ে লেখা- ‘চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে, নিয়ো না নিয়ো না সরায়ে’।

সত্যি সত্যিই হুমায়ুন আহমেদ নুহাশ পল্লীর সবুজ প্রকৃতির মাঝে, শ্বেত পাথরে আচ্ছাদিত কবরে চিরনিদ্রায় শুতে পেরেছেন। দুনিয়ার তাঁর অনেক সাধ আহ্লাদের মধ্যে শেষ আহ্লাদটাও পূরণ হয়েছে৷ একটা হাদীসে পড়েছিলাম সম্ভবত। দুনিয়ার জীবনে কেউ যদি কোন জিনিস চায়, কখনো কখনো তাকে সেই জিনিস কাণায় কাণায় দেওয়া হয়। হুমায়ুন আহমেদও এরকম একজন।

হুমায়ুন আহমেদ ইসলামের কোন উপকারে আসেননি। তাঁর কিছু লেখা ধর্মের বিধি-বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। লোকমুখে শুনেছি, তিনি ব্যক্তিজীবনে আস্তিক ছিলেন এবং খুব ধর্মপ্রাণ মুসলিম না হলেও ধর্ম বিদ্বেষী ছিলেন না। আমি জানিনা তিনি কোন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন৷ এটাও জানিনা তার সাথে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা কিরূপ ব্যবহার করবেন৷ জানা যায়, শেষ সময়গুলোতে তিনি নাকি ধর্মের দিকে খুব ঝুঁকে পড়েছিলেন৷ ‘নবিজী’ শিরোনামে তিনি রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি সীরাত লেখার কাজেও হাত দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। যদি সত্য হয়, আল্লাহ যেন তার সকল ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করে দেন। আমীন।

নুহাশ পল্লীতে গিয়ে আমার দুটো উপলব্ধি হয়েছে।
প্রথমত, হুমায়ুন আহমেদের কবরটা আমাকে খুব ভাবিয়েছে৷ এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় একজন লেখক এখন মাটির মধ্যে মিশে আছেন- এই সত্যটা বারবার আমাকে আমার শেষ পরিণতি মনে করিয়ে দিচ্ছিলো। নাম, যশ, খ্যাতি, বাড়ি-গাড়ি কোনোকিছুই আমাদেরকে মৃত্যু থেকে বাঁচাতে পারেনা৷ মৃত্যুই আমাদের জীবনের আসল সত্য। কবরের পাশে দাঁড়ালে অন্তর নরম হয়। আখিরাতের কথা মনে পড়ে। এজন্যেই রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কবরস্থান জিয়ারত করতে বলেছেন।

দ্বিতীয়ত, দুনিয়ার জীবনকে উপভোগ করার জন্যে হুমায়ুন আহমেদের চেষ্টা তদবির আমাকে বিস্মিত করেছে। নুহাশ পল্লীতে বসে প্রকৃতিকে উপভোগ করার জন্যে কতো কিছুই না করেছেন তিনি। কৃত্রিম লেক, দিঘী করে তিনি সাজাতে চেয়েছেন নিজের জীবন৷ দুনিয়ার অল্প কিছু সময় কাটাতে চেয়েছেন ওই কৃত্রিমতার মধ্যে৷ আমি ভাবি আখিরাতের জান্নাতের কথা৷ কেমন হবে সেই দৃশ্যগুলো?
সেগুলো এমন যে, দুনিয়ার কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো তা শোনেনি৷ ভাবতে পারেন?
জান্নাতের ঝর্ণাটা কেমন হবে? তার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত নহরের কলকল ধ্বনি শুনতে কেমন লাগবে?
জান্নাতের বাড়িগুলো কিসের তৈরি হবে? মৃত্যুর পর নুহাশ পল্লীগুলো তো রয়ে যায়, ক্ষয়ে যায়। কিন্তু, জান্নাতের বাংলোটা কি কখনো হারাতে পারে? কখনো ক্ষয়ে যেতে পারে? নিশ্চয়ই নয়।
নুহাশ পল্লীতে ঢুকতে আমাকে পকেটের টাকা গুনতে হয়েছে৷ অথচ, দুনিয়ায় বসে জান্নাতে আমি বুকিং দিয়ে রাখতে পারি একটি অনিন্দ্য সুন্দর বাংলো। যার তলদেশে দিয়ে কলকল শব্দে নহর গড়াবে। সেই বাংলোতে কখনো দুঃখ আসবেনা, কষ্ট আসবেনা৷ হতাশা, গ্লানিবোধ কোনোকিছুই সেখানে আমাকে স্পর্শ করবেনা। সেদিন আমিও হবো বিজয়ীদের দলে। যারা জিতে নিয়েছে জীবনের মহা পুরস্কার। এরজন্যে আমার খ্যাতির দরকার নেই, টাকার দরকার নেই৷ আমার চারপাশে ডজন খানেক আমলারও দরকার পড়বেনা৷ দরকার আমার বিশুদ্ধ আমল। দরকার রাসূলের দেখানো পথের ওপর অটল, অবিচল, অবিচ্যুত থাকা।
হে আমার রব! দুনিয়ার নুহাশ পল্লী চাইনা৷ আখিরাতে আপনার রহমতের চাদরে আমায় আবৃত করবেন, এই আশা বুকে পুষে রাখছি।


‘নুহাশ পল্লীতে একদিন’/ আরিফ আজাদ  ভাইয়ের ফেসবুক ওয়াল  থেকে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close